রাজশাহী মহানগরী পুলিশ আইন, ১৯৯২
Act No. ২৩ of 1992
Enacted: 1992-01-01
Chapter 1
General
1.১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রয়োগ
রাজশাহী মহানগরী এলাকার জন্য একটি স্বতন্ত্র পুলিশ বাহিনীর গঠনকল্পে প্রণীত আইন৷ যেহেতু রাজশাহী মহানগরী এলাকার জন্য একটি স্বতন্ত্র পুলিশ বাহিনী গঠন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:- সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রয়োগ ১৷ (১) এই আইন রাজশাহী মহানগরী পুলিশ আইন, ১৯৯২ নামে অভিহিত হইবে৷ (২) ইহা রাজশাহী মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হইবে৷
2.২৷ সংজ্ঞা
সংজ্ঞা ২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- (ক) “অধস্তন কর্মকর্তা” অর্থ সহকারী পুলিশ কমিশনারের অধস্তন যেকোন পুলিশ কর্মকর্তা; (খ) “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা” অর্থ পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার; (গ) “গবাদি পশু” অর্থ হাতী, ঘোড়া, গাধা, খচ্চর, ভেড়া, ছাগল এবং শুকরও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; (ঘ) “জনসাধারণের প্রমোদাগার” অর্থ এমন স্থান যেখানে বাদ্য, সংগীত, নৃত্য বা চিত্ত-বিনোদনমুলক অন্য কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার ব্যবস্থা থাকে এবং যেখানে অর্থ প্রদানের বিনিময়ে জনসাধারণকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়, এবং ঘোড়দৌড়ের মাঠ, সার্কাস, নাট্যশালা, চলচ্চিত্র গৃহ, সংগীতালয়, বিলিয়ার্ড কক্ষ, শরীর-চর্চা গৃহ, সুইমিং পুল বা নৃত্য শাখা ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; (ঙ) “পুলিশ কমিশনার”, “অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার”, “উপ-পুলিশ কমিশনার” ও “সহকারী পুলিশ কমিশনার” অর্থ ধারা ৭ এর অধীন নিযুক্ত যথাক্রমে পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার; (চ) “পুলিশ কর্মকর্তা” অর্থ এই আইনের অধীন নিযুক্ত বাহিনীর যে কোন সদস্য এবং ধারা ১০ এর অধীন নিযুক্ত কোন সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা এবং এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনরত অন্য কোন পুলিশ বাহিনীর সদস্যও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন; (ছ) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান; (জ) “ফৌজদারী কার্যবিধি” অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898); (ঝ) “বাহিনী” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত রাজশাহী মহানগরী পুলিশ বাহিনী; (ঞ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি; (ট) “মহা-পুলিশ পরিদর্শক” অর্থ Police Act, 1861 (V of 1861) এর অধীন নিযুক্ত Inspector General of Police; (ঠ) “যানবাহন” অর্থ যে কোন গাড়ী, গরু বা ঘোড়ার গাড়ী, ভ্যান, ট্রাক, ঠেলাগাড়ী, বাইসাইকেল, ট্রাই-সাইকেল, মোটর সাইকেল, রিক্সা বা চাকাযুক্ত রাস্তায় চলাচলের উপযোগী যে কোন প্রকারের বাহন; (ড) “রাজশাহী মহানগরী এলাকা” বা “মহানগরী এলাকা” অর্থ প্রথম তফসিলে বর্ণিত এলাকা; (ঢ) “রাস্তা” অর্থ সর্বসাধারণের চলাচলের অধিকার আছে এমন যে কোন সড়ক, গলি, পায়ে হাটা পথ, প্রাংগণ, সংকীর্ণ পথ বা প্রবেশ পথ, সরাসরি চলাচলের জন্য উপযুক্ত হউক বা না হউক, কেও বুঝাইবে৷
3.৩৷ Act V of 1861 এর প্রয়োগ
Act V of 1861 এর প্রয়োগ ৩৷ এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস্য না হওয়া সাপেক্ষে Police Act, 1861 (V of 1861), অতঃপর এই আইনে Police Act বলিয়া উল্লিখিত, রাজশাহী মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হইবে৷
4.৪৷ কতিপয় ক্ষেত্রে জিলা ম্যাজিষ্ট্রেটের এখ্তিয়ার রহিত
কতিপয় ক্ষেত্রে জিলা ম্যাজিষ্ট্রেটের এখ্তিয়ার রহিত ৪৷ ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহাই থাকুক না কেন, এই আইনের বা উহার অধীন ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে রাজশাহী মহানগরী এলাকা কোন জিলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কর্তৃত্বাধীন থাকিবে না৷
5.৫৷ বাহিনীর গঠনতন্ত্র
বাহিনীর গঠনতন্ত্র ৫৷ (১) রাজশাহী মহানগরী পুলিশ নামে রাজশাহী মহানগরী পুলিশ এলাকার জন্য একটি স্বতন্ত্র পুলিশ বাহিনী থাকিবে৷ (২) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা সমন্বয়ে বাহিনী গঠিত হইবে৷
7.৭৷ পুলিশ কমিশনার, ইত্যাদি
পুলিশ কমিশনার, ইত্যাদি ৭৷ (১) সরকার একজন পুলিশ কমিশনার নিয়োগ করিবেন, যিনি, মহা-পুলিশ পরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, এই আইন দ্বারা বা উহার অধীন প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন৷ (২) সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার নিয়োগ করিতে পারেন, যাঁহারা পুলিশ কমিশনারকে তাঁহার ক্ষমতা প্রয়োগ এবং দায়িত্ব পালনে সাহায্য করিবেন এবং তাহারা পুলিশ কমিশনার কর্তৃক তাঁহাদের উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন৷ (৩) পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্তে নিযুক্ত হইবেন৷
8.৮৷ অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ
অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ ৮৷ (১) বাহিনীতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক পুলিশ পরিদর্শক এবং অন্যান্য অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা থাকিবে৷ (২) মহা-পুলিশ পরিদর্শক কর্তৃক পুলিশ পরিদর্শক নিযুক্ত হইবেন এবং অন্যান্য অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা মহা-পুলিশ পরিদর্শক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদের নীচে নহেন এমন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷ (৩) অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্তে নিযুক্ত হইবেন৷ (৪) নিযুক্ত হইবার পর প্রত্যেক অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা দ্বিতীয় তফসিল এর ফরমে একটি সার্টিফিকেট পাইবেন৷ (৫) যে ব্যক্তিকে উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত সার্টিফিকেট দেওয়া হইয়াছে বাহিনীতে চাকুরীর অবসান হইলে তাহার সেই সার্টিফিকেট বাতিল হইয়া যাইবে এবং সেই চাকুরী হইতে সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ে উহার কার্যকরতা স্থগিত থাকিবে৷
9.৯৷ বদলী
বদলী ৯৷ এই আইন Police Act, বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার বা মহা-পুলিশ পরিদর্শক এই আইনের অধীন নিযুক্ত কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে Police Act এর অধীন গঠিত পুলিশ বাহিনীতে এবং Police Act এর অধীন নিযুক্ত কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে এই আইনের অধীন গঠিত পুলিশ বাহিনীতে বদলী করিতে পারিবেন, এবং অনুরূপ বদলীর পর বদলীকৃত পুলিশ কর্মকর্তা যে পুলিশ বাহিনীতে বদলী হইয়াছেন সেই বাহিনীর আইনের অধীন একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলিয়া গণ্য হইবেন৷
10.১০৷ সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা
সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা ১০৷ (১) পুলিশ কমিশনারের বিবেচনায় যদি কোন ব্যক্তির সাহায্য বাহিনীর স্বার্থে প্রয়োজন হয়, তাহা হইলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করিতে পারিবেন৷ (২) নিযুক্ত হইবার পর, প্রত্যেক সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা- (ক) দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত ফরমে একটি সার্টিফিকেট পাইবেন; (খ) অন্য যে কোন পুলিশ কর্মকর্তার অনুরূপ ক্ষমতা ও সুবিধাদি ভোগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন; (গ) অন্য যে কোন পুলিশ কর্মকর্তার জন্য যে শাস্তির বিধান রহিয়াছে সেই শাস্তির বিধানের আওতায় থাকিবেন; (ঘ) অন্য যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা যে কর্তৃপক্ষের কর্তৃত্বাধীন থাকিবেন সেইরূপ কর্তৃপক্ষের কর্তৃত্বাধীন থাকিবেন৷
11.১১৷ বাহিনীর প্রশাসনে পুলিশ কমিশনারের আদেশ দানের ক্ষমতা
বাহিনীর প্রশাসনে পুলিশ কমিশনারের আদেশ দানের ক্ষমতা ১১৷ পুলিশ কমিশনার এই আইন ও বিধির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে আদেশ জারী করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) বাহিনীর পরিদর্শন; (খ) পুলিশ কর্র্মকর্তা কর্তৃক সংবাদ ও গোপন তথ্য সংগ্রহ ও অবহিতকরণ; (গ) বাহিনীর অস্ত্রশস্ত্র, পোশাক ও বস্ত্রাদি ও উহার পরিমাণ; (ঘ) বাহিনীর সদস্যদের আবাস স্থল; (ঙ) বাহিনীর প্রশাসন ও কল্যাণের সহিত সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল গঠন, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ; (চ) বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব এবং উহা পালনের পদ্ধতি ও শর্ত; (ছ) বাহিনীর দক্ষতা ও শৃংখলা; (জ) পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহার ও কর্তব্যে অবহেলা নিরোধ৷
12.১২৷ অধস্তন কর্মকর্তাদের শাস্তি
অধস্তন কর্মকর্তাদের শাস্তি ১২৷ (১) সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান এবং বিধি সাপেক্ষে, পুলিশ কমিশনার অথবা পুলিশ কমিশনার হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কোন অধস্তন কর্মকর্তাকে অবাধ্যতা, শৃংখলাভংগ, অসদাচরণ, দুর্নীতি, কর্তব্যে অবহেলা বা কর্তব্য পালনে শিথিলতা অথবা কোন কার্যের দ্বারা নিজকে কর্তব্য পালনে অযোগ্য প্রতিপন্ন করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করিলে তাহাকে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত যে কোন এক বা একাধিক শাস্তি দিতে পারিবেন, যথা:- (ক) চাকুরী হইতে বরখাস্ত; (খ) চাকুরী হইতে অপসারণ; (গ) বাধ্যতামূলক অবসর; (ঘ) পদাবনতি; (ঙ) পদোন্নতি বন্ধকরণ; (চ) অনুর্দ্ধ এক বত্সরের জ্যেষ্ঠতা বাজেয়াপ্তকরণ; (ছ) অনুর্দ্ধ এক মাসের বেতন ও ভাতাদি বাজেয়াপ্তকরণ; (জ) বেতন বৃদ্ধি বন্ধকরণ; (ঝ) অনুর্দ্ধ এক মাসের বেতনের পরিমান টাকা জরিমানা; (ঞ) অনুর্দ্ধ ত্রিশ দিনের জন্য কোয়ার্টার গার্ডে আটক রাখা; (ট) অনুর্দ্ধ ত্রিশ দিনের জন্য পুলিশ লাইনে আটক রাখা এবং তত্সহ এক্সট্রা ড্রিল, এক্সট্রা গার্ড, ফাটিগ বা অন্য ডিউটি; (ঠ) তিরস্কার; (ড) দৈনিক ২ ঘন্টা করিয়া অনূর্ধ্ব ১৪ দিনের জন্য শাস্তিস্বরূপ ড্রিল প্রদান৷ ব্যাখ্যা৷- অসদাচরণ বলিতে চাকুরীর শৃংখলা ও নিয়মের হানিকর বা কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী বা ভদ্রজনের পক্ষে শোভনীয় নয় এমন অথবা আপাততঃ বলবত্ সরকারী কর্মচারী আচরণ সংক্রান্ত বিধিমালার পরিপন্থী কোন আচরণকে বুঝাইবে৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতাগুলি পরিদর্শক ব্যতীত অন্য কোন অধস্তন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের অধস্তন নয় এমন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রয়োগ করা যাইতে পারে৷ (৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম নেওয়া বা তদন্ত করা প্রয়োজন এমন যে কোন অধস্তন কর্মকর্তাকে পুলিশ কমিশনার বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাময়িকভাবে বরখাস্ত করিতে পারিবেন৷
13.১৩৷ পুলিশ কর্মকর্তার সার্বক্ষণিক কর্তব্যরত থাকা
পুলিশ কর্মকর্তার সার্বক্ষণিক কর্তব্যরত থাকা ১৩৷ (১) ছুটিতে বা সাময়িক বরখাস্তকৃত নন এমন প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক কর্তব্যরত বলিয়া গণ্য হইবেন৷ (২) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মহা-পুলিশ পরিদর্শকের নির্দেশে যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা মহানগরী এলাকার বাহিরে যে কোন স্থানে পুলিশের দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত হইতে পারেন৷
14.১৪৷ অধস্তন কর্মকর্তার পদত্যাগ
অধস্তন কর্মকর্তার পদত্যাগ ১৪৷ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন নয় এমন কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে কোন অধস্তন কর্মকর্তা পদত্যাগ করিতে অথবা কর্তব্য হইতে নিজেকে প্রত্যাহার করিতে পারিবেন না৷
15.১৫৷ পুলিশ কর্মকর্তার সাধারণ দায়িত্ব
পুলিশ কর্মকর্তার সাধারণ দায়িত্ব ১৫৷ পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব হইবে- (ক) যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তাহার নিকট প্রদত্ত আইনানুগ সমন জারী পরোয়ানা বা অন্যবিধ আদেশ কার্যকর করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ বাস্তবায়ন করার জন্য আইনসম্মতভাবে চেষ্টা করা; (খ) বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য সংঘটিত এবং সংঘটিত হইতে পারে এমন অপরাধের সূত্র উত্থাপনের জন্য তাহার সর্বশক্তি নিয়োগ ও তত্সম্পর্কিত গোপন তথ্য অনুসন্ধান করা, অপরাধীদের বিচার এবং উক্তরূপ অপরাধ এবং বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য নয় এমন অপরাধ নিরোধের জন্য আইন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মোতাবেক প্রাপ্ত তথ্য সরবরাহ এবং অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা; (গ) পাবলিক নুইসেন্স সংঘটনের চেষ্টা যথাসাধ্য প্রতিহত করা; (ঘ) যাহাদিগকে গ্রেফতার করার জন্য তিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত এবং যাহাদিগকে গ্রেফতার করার যুক্তিসংগত কারণ আছে তাহাদিগকে অযৌক্তিকভাবে বিলম্ব না করিয়া গ্রেফতার করা; (ঙ) কোন কর্মকর্তা কর্তৃক অনুরোধ করা হইলে সেই কর্মকর্তাকে আইনানুগ এবং যুক্তিসংগত সাহায্য প্রদান করা; (চ) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইন দ্বারা তাহার উপর প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা৷
16.১৬৷ জনগণ এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের প্রতি কর্তব্য
জনগণ এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের প্রতি কর্তব্য ১৬৷ প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব হইবে- (ক) রাস্তাঘাটে দৈহিক অক্ষম ও নিরাশ্রয় লোকদিগকে, যতদূর সম্ভব, সহায়তা দান করা, এবং কোন ব্যক্তি তাহার নিকট বিপজ্জনক, মাতাল বা নিজের নিরাপত্তার প্রতি অমনোযোগী উন্মাদ বিবেচিত হইলে উক্ত ব্যক্তির দায়িত্ব গ্রহণ করা; (খ) গ্রেফতারকৃত আহত বা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য সংগ্রহের ত্বরিত্ ব্যবস্থা করা এবং অনুরূপ ব্যক্তির প্রহরায় নিযুক্ত থাকাকালে তাহার অবস্থার প্রতি যত্নবান হওয়া; (গ) গ্রেফতারকৃত বা জিম্মায় রাখা হইয়াছে এমন প্রতিটি ব্যক্তির জন্য যথোপযুক্ত আহার্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা; (ঘ) তল্লাশী চালাইবার সময়, দুর্ব্যবহার পরিহার করা এবং বিরক্তিকর আচরণের কারণ না হওয়া; (ঙ) মহিলা ও শিশুদের সহিত ব্যবহারের সময়, শালীনতাপূর্ণ আচরণ কঠোরভাবে মানিয়া চলা এবং যুক্তিসংগত ভদ্র ব্যবহার করা; (চ) অগ্নিকাণ্ডের সময় ক্ষয়ক্ষতি রোধ করার জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করা; (ছ) সর্বসাধারণের দুর্ঘটনা বা বিপদ এড়াইবার জন্য নিজের সাধ্যমত কাজ করা৷
17.১৭৷ রাস্তায় পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য
রাস্তায় পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য ১৭৷ রাস্তার পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য হইবে- (ক) যানবাহন নিয়ন্ত্রণ; (খ) রাস্তায় নির্মাণকার্য রোধ করা; (গ) রাস্তায় বা রাস্তার সন্নিকটে এই আইন বা অন্য কোন আইনের অধীন প্রণীত কোন বিধি, প্রবিধান বা প্রদত্ত কোন আদেশের বিধান যাহাতে কেহ ভংগ করিতে না পারে সেই জন্য সর্বতোভাবে নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করা; (ঘ) রাস্তায়, সর্বসাধারণের ব্যবহার জায়গায়, মেলায়, সর্বসাধারণের সম্মিলিত হওয়ার অন্যান্য সকল জায়গায় এবং সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানসমূহের আশেপাশে শৃংখলা বজায় রাখা; (ঙ) সর্বসাধারণের ব্যবহার্য জায়গার নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীবাহী নৌকায় বিপজ্জনকভাবে বা অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই রোধ এবং অনুরূপ যে কোন স্থান বা নৌকায় কোন আইন বা আইনানুগ বিধি, আদেশ ইত্যাদি লংঘন রোধ করা৷
18.১৮৷ পুলিশ কর্মকর্তার যুক্তিসংগত নির্দেশ মান্য করা
পুলিশ কর্মকর্তার যুক্তিসংগত নির্দেশ মান্য করা ১৮৷ এই আইনের দ্বারা প্রদত্ত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্মকর্তার যে কোন নির্দেশ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি মানিতে বাধ্য থাকিবে৷
19.১৯৷ নির্দেশ কার্যকরকরণে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা
নির্দেশ কার্যকরকরণে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা ১৯৷ ধারা ১৮এ উল্লিখিত নির্দেশ পালনে বাধা প্রদান, অস্বীকার করা বা অপারগতার জন্য পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করিতে বা ক্ষেত্রমত সরাইয়া দিতে পারিবেন এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ম্যাজিষ্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থিত করিতে, অথবা ঘটনাটি নগণ্য হইলে উহার পরে লোকটিকে ছাড়িয়াও দিতে পারিবেন৷
20.২০৷ তথ্য সরবরাহে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা
তথ্য সরবরাহে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা ২০৷ পুলিশ কর্মকর্তা ম্যজিষ্ট্রেটের নিকট যে কোন তথ্য পেশ করিতে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করিতে পারেন৷
21.২১৷ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রাস্তায় তল্লাশী করার ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা
সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রাস্তায় তল্লাশী করার ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা ২১৷ রাস্তায় বা সর্বসাধারণের সমবেত হওয়ার কোন স্থানে কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল আছে বলিয়া পুলিশ কর্মকর্তা সরল বিশ্বাসে সন্দেহ করিলে, তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তল্লাশী করিতে ও তত্সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে তাহার বক্তব্য মিথ্যা বা সন্দেহজনক বলিয়া পুলিশ কর্মকর্তা মনে করিলে, তিনি প্রাপ্ত মালামাল আটক করিয়া ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট ঘটনাটির ব্যাপারে রিপোর্ট দায়ের করিতে পারিবেন এবং অতঃপর ম্যাজিষ্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির Section 523 এবং 525 এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
22.২২৷ ধারা ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৩ এর অধীন নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন, নোটিশ এবং আদেশ কার্যকর
ধারা ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৩ এর অধীন নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন, নোটিশ এবং আদেশ কার্যকর ২২৷ (১) যখন ধারা ২৮ এর অধীন কোন নির্দেশ প্রদান করা হয়, ধারা ২৯ এর অধীন কোন প্রজ্ঞাপন জারী করা হয় বা ধারা ৩০, ৩২ ও ৩৩ এর অধীন কোন আদেশ দেওয়া হয় বা ধারা ৩১ এর অধীন কোন পাবলিক নোটিশ জারী করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন, আদেশ বা নোটিশের পরিপন্থী কোন কাজ হইতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখা পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে আইনসম্মত হইবে এবং পুলিশ কর্মকর্তার আদেশ অমান্যকারীকে তিনি গ্রেফতার করিতে এবং অনুুরূপ নির্দেশ অমান্য করার কাজে ব্যবহৃত দ্রব্য বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রক্ষিত দ্রব্য আটক করিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা ১ এর অধীন আটককৃত দ্রব্য ম্যাজিষ্ট্রেট এর নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থিত হইবে৷
23.২৩৷ বেওয়ারিশ সম্পত্তির দায়িত্ব গ্রহণ ও বিলিবন্টন
বেওয়ারিশ সম্পত্তির দায়িত্ব গ্রহণ ও বিলিবন্টন ২৩৷ (১) নিম্নবর্ণিত জিনিসের সাময়িকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করা পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য হইবে, যথা:- (ক) তাঁহার নজরে আসিয়াছে বা তাঁহার নিকট আনীত হইয়াছে এইরূপ বেওয়ারিশ অস্থাবর সম্পত্তি; (খ) সম্পত্তির মালিক বা দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি কর্তৃক অপসারণ করিতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে বা অপসারণ না করার ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের ব্যবহার্য কোন স্থানে বা রাস্তায় পড়িয়া থাকা সকল অস্থাবর সম্পত্তি৷ (২) পুলিশ কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট উহা হস্তান্তর করিবেন এবং সংগে সংগে পুলিশ কমিশনারের নিকট বিষয়টি রিপোর্ট করিবেন৷ (৩) অনুরূপ সম্পত্তি কোন উত্তরাধিকারীশূন্য বা মৃত ব্যক্তির বলিয়া অনুমান করা হইলে এবং উহার মূল্য পাঁচ হাজার টাকার কম না হইলে, পুলিশ কমিশনার বিষয়টি এড্মিনিষ্ট্রেটর জেনারেলের গোচরে আনিবেন যাহাতে Administrator Generals Act, 1913 (III of 1913) এর বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনের অধীন উক্ত সম্পত্তির বন্দোবস্ত করা যায়৷ (৪) অন্যান্য ক্ষেত্রে, পুলিশ কমিশনার সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিবরণ দিয়া এই মর্মে একটি ঘোষণা জারী করিবেন যে, উহার দাবিদার ব্যক্তি যেন ঘোষণা জারীর তিন মাসের মধ্যে তাহার বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার নিকট উপস্থিত হইয়া দাবী প্রমাণ করেন৷ (৫) উক্ত সম্পত্তির বা উহার কোন অংশ দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে বিনষ্ট হওয়ার মত হইলে, বা উহাতে গবাদি পশু থাকিলে, বা উহার মূল্য ৫০০ টাকার কম বলিয়া অনুমিত হইলে, উহা অনতিবিলম্বে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ মোতাবেক নিলামে বিক্রয় করা যাইবে, এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিলিবন্টনের জন্য অতঃপর যে বিধান করা হইয়াছে সেইভাবে বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিলিবন্টন করা হইবে৷ (৬) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত দ্রব্য সম্পর্কে দাবিদারের দাবির যৌক্তিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর, পুলিশ কমিশনার পুলিশ কর্তৃক উহা আটক ও সংরক্ষণের জন্য যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হইয়াছে তাহা কর্তন সাপেক্ষে উক্ত দ্রব্য দাবিদারকে প্রত্যার্পনের নির্দেশ দিবেন৷ (৭) উপ-ধারা (৬) এর অধীন আদেশ দেওয়ার পূর্বে পুলিশ কমিশনার যেভাবে যথাযথ মনে করেন সেইভাবে যে ব্যক্তিকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হইতেছে তাহার নিকট হইতে জামানত গ্রহণ করিতে পারেন এবং যে ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর করা হইতেছে তাহার নিকট হইতে উহার সম্পূর্ণ অংশ অথবা অংশবিশেষ উদ্ধারের জন্য কোন লোকের অধিকার থাকিলে সে অধিকার কোন ভাবেই ক্ষুণ্ন হইবে না৷ (৮) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে অনুরূপ সম্পত্তির ব্যাপারে কোনরূপ দাবী পেশ না করেন, তাহা হইলে উহা সরকারের হেফাজতে থাকিবে, এবং উহা অথবা উহার অংশ বিশেষ উপ-ধারা (৫) এর অধীনে বিক্রয় না হইয়া থাকিলে, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশক্রমে উহা নিলামে বিক্রয় করা যাইবে৷
24.২৪৷ গবাদি পশু আটক করা
গবাদি পশু আটক করা ২৪৷ কোন গবাদি পশু রাস্তায় বেওয়ারিশভাবে ঘোরাফেরা করিতে থাকিলে অথবা কোন সরকারী সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করিলে পুলিশ কর্মকর্তা সেই গবাদি পশু খোয়াড়ে রাখার জন্য আটক করিতে পারিবেন৷
25.২৫৷ মিথ্যা পরিমাপযন্ত্র ও দাড়িপাল্লা তল্লাশী, পরীক্ষা ও আটক করার ক্ষমতা
মিথ্যা পরিমাপযন্ত্র ও দাড়িপাল্লা তল্লাশী, পরীক্ষা ও আটক করার ক্ষমতা ২৫৷ (১) ফৌজদারী কার্যবিধির Section 153 তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন পুলিশ কমিশনার কর্তৃক সাধারণভাবে অথবা বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা যে কোন পরিমাপযন্ত্র বা দাড়িপাল্লা তল্লাশী বা পরীক্ষা করার জন্য বিনা পরোয়ানায় যে কোন দোকানে বা প্রাংগনে প্রবেশ করিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশীকালে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট যদি কোন পরিমাপযন্ত্র বা দাড়িপাল্লা মিথ্যা অনুমান করার কারণ থাকে, তাহা হইলে তিনি উহা আটক করিতে পারিবেন, এবং আটক করার পর অনতিবিলম্বে উহা পুলিশ কমিশনারকে জানাইবেন এবং পুলিশ কমিশনার যদি অনুরূপ পরিমাপযন্ত্র বা দাড়িপাল্লা মিথ্যা বলিয়া দেখিতে পান তবে উহা ধ্বংস করিতে পারিবেন৷ (৩) পরিমাপ যন্ত্রের ওজন ও মাপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যে মাপ ঠিক করা আছে উহার সহিত গরমিল হইলে এই ধারার অধীন সংশ্লিষ্ট পরিমাপযন্ত্র বা দাড়িপাল্লা মিথ্যা বলিয়া গণ্য হইবে৷
26.২৬৷ প্রবিধান প্রণয়নে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
প্রবিধান প্রণয়নে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ২৬৷ (১) পুলিশ কমিশনার সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং এই আইন ও বিধির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) পোতাশ্রয়, রেল ষ্টেশন, ইত্যাদিতে যাত্রীদের মালমাল বহনের জন্য কাজ করিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের মজুরীর হার নির্ধারণ; (খ) রাস্তায় ও সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে যানবাহন দাঁড় করাইয়া রাখার শর্তাবলী আরোপ এবং যানবাহন বা গবাদি পশুর বিশ্রামস্থল হিসাবে রাস্তার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ; (গ) রাস্তা ও সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে সকল প্রকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাস্তা ও সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে অশ্বারোহণ, গাড়ী ও সাইকেল চালনা, হাঁটা এবং গবাদি পশু লইয়া যাওয়া নিয়ন্ত্রণ; (ঘ) রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনে আলো, বাতির সংখ্যা ও উহাদের ব্যবহারের সময় নির্ধারণ; (ঙ) দিনের বেলায় রাস্তায় কখন গবাদি পশু চলাচল করিতে পারিবে না অথবা কোন্ কোন্ রাস্তা দিয়া চলাচল করিতে পারিবে না তাহা নির্ধারণ অথবা উহাদের চলাচলের উপর শর্ত আরোপ; (চ) রাস্তা দিয়া কাষ্ঠ, মই, লোহার পাত, রড, ইত্যাদি জাতীয় লম্বা ও চওড়া দ্রব্যসামগ্রী বহনের সময়, রাস্তা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ ও পদ্ধতি নির্ধারণ; (ছ) আশেপাশের বাসিন্দাদের এবং যানবাহন আরোহীদের অসুবিধা ও বিরক্তি দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাস্তায় সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গান-বাজনা, বাদ্য-বাজনা, হর্ণ বাজানো ইত্যাদির অনুমতি প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ; (জ) রাস্তা দিয়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের আচরণ ও চালচলন নিয়ন্ত্রণ এবং শোভাযাত্রা গমনাগমনের রাস্তা ও সময় নির্ধারণ; (ঝ) যানবাহন চলাচলে যাহাতে বিঘ্ন সৃষ্টি হইতে না পারে তজ্জন্য রাস্তায় বাঁশ বা খাম্বা লাগানো বা ঝুলানো নিষিদ্ধকরণ; (ঞ) কোন রাস্তা বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গৃহ নির্মাণ সামগ্রী বা অন্যান্য জিনিস ফেলিয়া রাখা অথবা গরু, ছাগল, ইত্যাদি বাঁধিয়া রাখা নিবারণ বা নিয়ন্ত্রণ; (ট) বাসিন্দাদের অসুবিধা দূরীকরণের জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয় নিষিদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ, যথা:- (অ) যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকার বা স্থানীয় সংস্থার কর্মচারী ছাড়া অন্য কাহারও দ্বারা রাস্তা ও সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে আলোকসজ্জা করা; (আ) রাস্তা বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বা উহার সন্নিকটে পাথর বিদীর্ণ করা অথবা মাটি খোঁড়া; (ই) সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বা উহার সন্নিকটে লাউড স্পীকার ব্যবহার; (ঈ) পতনোন্মুখ বিল্ডিং এর বিপদ এড়ানো বা অন্যান্য কারণবশতঃ বিশেষ বিশেষ রাস্তায় সাময়িকভাবে চলাচল বন্ধ রাখা; (ড) কোন বিল্ডিং, প্লাটফর্ম বা কাঠামো ধ্বংস করার সময় আঘাত লাগা বা অন্যান্য বিপদ হইতে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; (ঢ) কাঠ-খড় অগ্নিদগ্ধ করা, বহ্ন্যুত্সব, বাজী পোড়ানো ও পটকা ফুটানো, ইত্যাদি নিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ; (ণ) সাধারণ চিত্তবিনোদন ও প্রমোদস্থলের জন্য লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ; (ত) সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে এবং সাধারণ চিত্তবিনোদন ও প্রমোদস্থলে গমনাগমনের পথ নিয়ন্ত্রণ; (থ) সর্বসাধারণের চিত্তবিনোদন ও প্রমোদস্থলে গান, বাজনা, নৃত্য প্রদর্শন, নাটকাভিনয় ইত্যাদির লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ; (দ) সাধারণ প্রমোদস্থলে প্রবেশের জন্য টিকেট বিক্রয় অথবা পাস প্রদান নিয়ন্ত্রণ ও নিরোধ; (ধ) এই আইনের অধীনে কোন লাইসেন্স বা অনুমতি প্রদানের ফিস নির্ধারণ৷ (২) এই ধারার অধীনে প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা, প্রাক-প্রকাশনা সাপেক্ষে, ব্যবহার করা যাইবে এবং এই ধারার অধীনে প্রণীত প্রবিধান সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিয়া ও সংশ্লিষ্ট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লটকাইয়া জারী করিতে হইবে এবং পুলিশ কমিশনার, সমীচীন মনে করিলে, তত্কর্তৃক নির্ধারিত স্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দ্বারাও প্রকাশ করা যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে, তাহা হইলে প্রাক-প্রকাশনা না করিয়াও প্রবিধান প্রণয়ন করা যাইবে৷
27.২৭৷ পুলিশ কমিশনার কর্তৃক রাস্তায় প্রতিবন্ধক নির্মাণের কর্তৃত্ব দান
পুলিশ কমিশনার কর্তৃক রাস্তায় প্রতিবন্ধক নির্মাণের কর্তৃত্ব দান ২৭৷ (১) যদি পুলিশ কমিশনার এই মর্মে প্রয়োজনবোধ করেন যে, কোন রাস্তায় অস্থায়ীভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা সমীচীন, তাহা হইলে তিনি তত্কর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে উক্ত রাস্তায় অস্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধক নির্মাণ করার ক্ষমতা দান করিতে পারেন৷ (২) অনুরূপ প্রতিবন্ধক কিভাবে ব্যবহার করা হইবে তজ্জন্য পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারিবেন৷
28.২৮৷ পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তার জনসাধারণকে নির্দেশ দানের ক্ষমতা
পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তার জনসাধারণকে নির্দেশ দানের ক্ষমতা ২৮৷ পুলিশ কমিশনার বা তত্কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন পুলিশ কর্মকর্তা, ধারা ২৬ এর অধীন প্রণীত প্রবিধানের সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক নির্দেশ দিতে পারিবেন, যথা:- (ক) রাস্তায় জনসমাবেশ বা মিছিলকারীদের শৃংখলাপূর্ণ আচরণ নিশ্চিতকরণ; (খ) অনুরূপ মিছিল কোন্ কোন্ রাস্তা দিয়া বা কোন্ কোন্ সময়ে যাইতে পারিবে বা পারিবে না; (গ) কোন স্থান বা উপাসনাস্থলে বা উহার সন্নিকটে অনুরূপ মিছিল গমন বা জনসমাবেশ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ থাকিবে; (ঘ) রাস্তা, জনসাধারণের গোসল করার জায়গা, ইত্যাদি এবং সর্বসাধারণের ব্যবহার্য অন্যান্য স্থানে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখা; (ঙ) রাস্তা বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থান বা উহার নিকটে গান-বাজনা, ঢাক-ঢোল ইত্যাদি বাজানো নিয়ন্ত্রণ; (চ) রাস্তা, সাধারণের ব্যবহার্য স্থান বা জনসাধারণ প্রমোদাগারে লাউড স্পীকার ব্যবহার৷
29.২৯৷ বিশৃংখলা রোধে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
বিশৃংখলা রোধে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ২৯৷ (১) জনশৃংখলা, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার খাতিরে পুলিশ কমিশনার যখনই যে স্থানে প্রয়োজন মনে করিবেন তখনই সেই স্থানে প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিয়া নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি নিষিদ্ধ করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) হিংসাত্মকভাবে আঘাত করার উদ্দেশ্যে অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা বা লাঠি বহন; (খ) বিস্ফোরক দ্রব্য বহন; (গ) ইট, পাথর, ইত্যাদি সংগ্রহ ও বহন; (ঘ) মানুষ, মৃতদেহ বা মূর্তি ও কুশপুত্তলিকা প্রদর্শনী; (ঙ) সর্বসাধারণের শ্রুতিগোচরে চিত্কার করা, গান-বাজনা করা; (চ) শালীনতা ও নৈতিকতাবিরোধী এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিরোধী কোন কিছু প্রদর্শন বা প্ল্যাকার্ড বহন বা ছবি, ইত্যাদি প্রদর্শনী৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করিয়া কোন ব্যক্তি অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক বা অনুরূপ কোন দ্রব্য বহন করিলে, পুলিশ কর্মকর্তা তাহাকে নিরস্ত্র করিতে, অস্ত্র আটক করিতে এবং অস্ত্র ও ক্ষেত্রমত, বিস্ফোরক দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করিতে পারিবেন৷
30.৩০৷ জনসমাবেশ বা মিছিল নিষিদ্ধকরণে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
জনসমাবেশ বা মিছিল নিষিদ্ধকরণে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ৩০৷ শান্তি-শৃংখলা ও জননিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন মনে করিলে, পুলিশ কমিশনার যে কোন স্থানে যে কোন নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য লিখিত নির্দেশ জারী করিয়া জনসমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ কোন নিষেধাজ্ঞা সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে ত্রিশ দিনের বেশি বহাল থাকিবে না৷
31.৩১৷ জনস্বার্থে কোন রাস্তা বা স্থান সংরক্ষিত রাখায় পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
জনস্বার্থে কোন রাস্তা বা স্থান সংরক্ষিত রাখায় পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ৩১৷ পুলিশ কমিশনার প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি জারী করিয়া যে কোন রাস্তা বা স্থান জনস্বার্থে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত রাখার আদেশ দিতে পারিবেন এবং উক্ত সংরক্ষিত রাস্তা বা স্থানে তত্কর্তৃক আরোপিত শর্তাধীনে প্রবেশ করা যাইবে৷
32.৩২৷ যানবাহন সরবরাহের জন্য পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
যানবাহন সরবরাহের জন্য পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ৩২৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহাই থাকুক না কেন, বাহিনীর কাজের প্রয়োজনে পুলিশ কমিশনার, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যে কোন যানবাহন সরবরাহ করিতে উহার মালিককে নির্দেশ দিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকিলে, পুলিশ কমিশনার, সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে যে কোন যানবাহন সরবরাহের জন্য উহার মালিককে নির্দেশ দিতে পারিবেন, তবে তিনি উহা অনতিবিলম্বে সরকারকে অবহিত করিবেন৷
33.৩৩৷ গান-বাজনা, ইত্যাদি নিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা
গান-বাজনা, ইত্যাদি নিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা ৩৩৷ কোন এলাকার জনসাধারণ বা কোন ব্যক্তি বিশেষের অসুবিধা বা বিরক্তি দূরীকরণের জন্য প্রয়োজন মনে করিলে, পুলিশ কমিশনার লিখিত নির্দেশ জারী করিয়া নিম্নবর্ণিত বিষয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা বা শর্ত আরোপ করিতে বা উক্ত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) কোন প্রাংগণ বা বাড়ীতে মুখে বা বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে গান-বাজনা করা; (খ) গান-বাজনা বা অন্যান্য শব্দ বড় করিয়া শুনাইবার জন্য মাইক্রোফোন, লাউডস্পীকার বা অন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা; (গ) অন্য কোন প্রক্রিয়ায় শব্দ করা; অথবা (ঘ) কোন প্রাংগণ বা ব্যবসাকেন্দ্রে এমন কিছু ব্যবহার করা যাহাতে বিকট শব্দ হয়৷
34.৩৪৷ দাংগা প্রভৃতি বন্ধ করার আদেশ
দাংগা প্রভৃতি বন্ধ করার আদেশ ৩৪৷ (১) দাংগা হাংগামা বা শান্তির পরিপন্থী কোন কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে পুলিশ কমিশনার লিখিত নির্দেশ জারি করিয়া অস্থায়ীভাবে যে কোন গৃহের বা স্থানের দখল লইতে এবং সেখান হইতে কোন বা সকল ব্যক্তিকে বাহির করিয়া দিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণের দরুন অনুরূপ গৃহের বা স্থানের মালিক বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইলে, তিনি অনুরূপ ব্যবস্থার তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে পুলিশ কমিশনারের নিকট দরখাস্ত করিলে যুক্তিসংগত পরিমাণ ক্ষতিপূরণের অধিকারী হইবেন, যদি না পুলিশ কমিশনারের উক্তরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যথাযথ হইয়াছে বলিয়া প্রমাণিত হয়৷ (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন ঘটনার বিষয়ে কোন বিরোধ দেখা দিলে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এবং প্রাপক নির্ধারণে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
35.৩৫৷ চিত্তবিনোদনের স্থানে ও জনসভায় গোলযোগের বিরুদ্ধে পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ
চিত্তবিনোদনের স্থানে ও জনসভায় গোলযোগের বিরুদ্ধে পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ ৩৫৷ (১) জনসাধারণকে আহ্বান করা হইয়াছে বা জনসাধারণ এর জন্য উন্মুক্ত রাখা হইয়াছে এমন কোন চিত্তবিনোদনের স্থানে বা জনসমাবেশে বা জনসভায় গুরুতর গোলযোগ, অশান্তি বা আইন শৃংখলা বিরোধী কার্যকলাপ বন্ধের জন্য উক্ত স্থানে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদাধিকারী পুলিশ কর্মকর্তা শান্তি-শৃংখলা ফিরাইয়া আনার জন্য উপযুক্ত যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য অনুরূপ যে কোন স্থান, জনসমাবেশ বা সভায় পুলিশের অবাধ প্রবেশাধিকার থাকিবে৷
36.৩৬৷ বেওয়ারিশ কুকুর নিধন
বেওয়ারিশ কুকুর নিধন ৩৬৷ পুলিশ কমিশনার সাধারণ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিয়া রাস্তায় বা কোন প্রকাশ্য স্থানে বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের জন্য নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং তদনুসারে অনুরূপ বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করা যাইবে৷
37.৩৭৷ অসুস্থ ও অক্ষম জীবজন্তু নিধন
অসুস্থ ও অক্ষম জীবজন্তু নিধন ৩৭৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি কোন রাস্তা বা প্রকাশ্য স্থানে কোন অসুস্থ, জখমপ্রাপ্ত বা দৈহিকভাবে অক্ষম জীবজন্তু দেখিতে পান, এবং তিনি যদি মনে করেন যে, সংশ্লিষ্ট জন্তুটিকে নিধন করা প্রয়োজন, এবং যেক্ষেত্রে উক্ত জন্তুর মালিক অনুপস্থিত থাকেন বা নিধনের সম্মতি না দেন, সেইক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট এলাকার সরকারী পশু চিকিত্সককে তলব করিবেন এবং সরকারী পশু চিকিত্সক যদি প্রত্যয়ন করেন যে, সংশ্লিষ্ট জন্তুটি এতই অসুস্থ বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত বা এমনই দুরবস্থাগ্রস্ত হইয়াছে যে উহাকে জীবিত রাখা চরম নিষ্ঠুরতার সামিল, তাহা হইলে পুলিশ কর্মকর্তা মালিকের আপত্তি সত্ত্বেও উক্ত জন্তুটিকে নিধন করিতে বা নিধনের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, সরকারী পশু চিকিত্সক যদি মনে করেন যে, গুরুতর কষ্ট প্রদান ছাড়াই জন্তুটিকে স্থানান্তর করা সম্ভব, তাহা হইলে নিধনের পূর্বে উহাকে তাহার বিবেচনায় উত্তম অন্য কোন উপযুক্ত স্থানে অপসারণের জন্য তিনি পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারিবেন: আরও শর্ত থাকে যে, কোন কোন রাস্তায় বা প্রকাশ্য স্থানে কোন জন্তু নিধন করিতে হইলে উহাকে জনসাধারণের দৃষ্টির আড়ালে রাখার জন্য যতদূর সম্ভব চারিদিকে আবরণ দিয়া লইতে হইবে৷
38.৩৮৷ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ৩৮৷ (১) শান্তি, শৃংখলা ও জননিরাপত্তা রক্ষা অথবা এই আইন বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনের অধীন কোন অপরাধ সম্পর্কিত কোন বিধান কার্যকর করার জন্য কোন ব্যক্তি পুলিশ কমিশনারকে কোন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার অনুরোধ জানাইয়া দরখাস্ত করিলে পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করিতে পারিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদনকারীর ব্যয়ে অনুরূপ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হইবে কিন্তু তাহারা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশের অধীনে এবং তত্কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের জন্য মোতায়েন থাকিবেন কিন্তু আবেদনকারীর লিখিত অনুরোধে পুলিশ কমিশনার যে কোন সময় উক্ত অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহার করিয়া লইবেন৷
39.৩৯৷ কতিপয় স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
কতিপয় স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ৩৯৷ (১) পুলিশ কমিশনার যদি মনে করেন যে, কোন সরকারী কাজে বা কোন শিল্প বা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিদের আচরণ অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করিয়াছে, তাহা হইলে তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক অতিরিক্ত পুলিশ সংশ্লিষ্ট স্থানে নিয়োগ করিতে পারিবেন এবং তিনি যতদিন প্রয়োজন মনে করিবেন, ততদিনের জন্য উক্ত পুলিশদের সেই স্থানে মোতায়েন রাখিতে পারিবেন৷ (২) উক্ত কাজ সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে উক্ত অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগের ব্যয় বহনের জন্য পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং অনুরূপ নির্দেশে উক্ত ব্যয়ের পরিমাণও নির্ধারণ করিয়া দিবেন, যাহা উক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি পরিশোধ করিবেন৷ (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত পুলিশ কমিশনারের নির্দেশের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সরকারের নিকট আপীল করিতে পারিবেন এবং তত্সম্পর্কে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
40.৪০৷ দুষ্কৃতিকারী দল বিতারণ
দুষ্কৃতিকারী দল বিতারণ ৪০৷ পুলিশ কমিশনারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন স্থানে কোন একদল লোকের বা দুষ্কৃতিকারী দলের গতিবিধি বা তত্পরতা বিপজ্জনক বা আশংকাজনক অথবা তাহারা বেআইনী কাজে লিপ্ত রহিয়াছে বলিয়া সন্দেহের কারণ রহিয়াছে, তাহা হইলে, তিনি লিখিত নির্দেশ জারী করিয়া অনুরূপ দলের যে কোন সদস্যকে বা গোটা দলকে শৃংখলাপূর্ণ আচরণ করার জন্য আদেশ দিতে পারিবেন অথবা তাহাদিগকে মহানগরী এলাকা হইতে বহিষ্কার করিতে এবং ক্ষেত্রমত, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাহাদের প্রত্যাবর্তন নিষেধ করিতে পারিবেন৷
41.৪১৷ অপরাধ করিতে উদ্যোগী ব্যক্তিদের অপসারণ
অপরাধ করিতে উদ্যোগী ব্যক্তিদের অপসারণ ৪১৷ পুলিশ কমিশনারের নিকট যখনই প্রতীয়মান হইবে যে,- (ক) কোন ব্যক্তির গতিবিধি অপর কোন ব্যক্তির বা কোন সম্পত্তির ক্ষতি বা বিপদ সৃষ্টি করিতেছে বা করিতে পারে; অথবা (খ) ইহা বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ আছে যে, অনুরূপ ব্যক্তি হিংসাত্মক পন্থায় অপরাধজনক কাজে লিপ্ত আছে বা লিপ্ত হওয়ার উদ্যোগ লইয়াছে অথবা Penal Code (XLV of 1960) এর Chapters XII, XVI বা এর অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উদ্যোগী হইয়াছে, তাহা হইলে পুলিশ কমিশনার, লিখিত আদেশ জারি করিয়া অনুরূপ ব্যক্তিকে শান্তি-শৃংখলার পরিপন্থী তত্পরতা হইতে বিরত হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবেন অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য মহানগরী এলাকা হইতে বহিষ্কার করিতে পারিবেন৷
42.৪২৷ কতিপয় অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির অপসারণ
কতিপয় অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির অপসারণ ৪২৷ কোন ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত যে কোন অপরাধে শাস্তিপ্রাপ্ত হইলে এবং পুলিশ কমিশনারের যদি বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় অনুরূপ অপরাধ করিতে পারে তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ জারী করিয়া অনুরূপ ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য মহানগরী এলাকার বাহিরে চলিয়া যাইতে নির্দেশ দিতে পারেন, যথা:- (ক) Penal Code (XLV of 1860) এর Chapter XII, XVI বা XVII এর অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ; (খ) Suppression of Immoral Traffic Act, 1933 (Ben. Act VI of 1933) এর অধীন অপরাধ; (গ) Customs Act, 1969 (IV of 1969) এর অধীন অপরাধ; (ঘ) এই আইনের ধারা ৭৭, ৭৮, ৭৯, ৮৪, ৮৯ বা ৯১ এর অধীন তিনবার বা তদপেক্ষা বেশী অপরাধ৷
43.৪৩৷ ধারা ৪০, ৪১ ও ৪২ এর অধীনে প্রদত্ত নির্দেশের মেয়াদ
ধারা ৪০, ৪১ ও ৪২ এর অধীনে প্রদত্ত নির্দেশের মেয়াদ ৪৩৷ ধারা ৪০, ৪১ ও ৪২ এর অধীন কোন ব্যক্তিকে মহানগরী এলাকার বাহিরে চলিয়া যাইতে নির্দেশ দেওয়া হইলে, উক্ত নির্দেশ অনধিক দুই বত্সর পর্যন্ত বলবত্ থাকিবে৷
44.৪৪৷ ধারা ৪০, ৪১, ও ৪২ এর অধীন আদেশ জারীর পূর্বে কৈফিয়ত দানের সুযোগ দেওয়া
ধারা ৪০, ৪১, ও ৪২ এর অধীন আদেশ জারীর পূর্বে কৈফিয়ত দানের সুযোগ দেওয়া ৪৪৷ (১) কোন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন আদেশ জারীর পূর্বে পুলিশ কমিশনার ঐ ব্যক্তিকে তাহার বিরুদ্ধে আনীত মৌলিক অভিযোগ এবং তজ্জন্য তাহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত আদেশ জারীর বিষয়টি তাহাকে লিখিতভাবে জানাইবেন এবং এতদ্সম্পর্কে তাহাকে কৈফিয়ত দেওয়ার যুক্তিযুক্ত সুযোগ দান করিবেন৷ (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যক্তি যদি কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য দরখাস্ত করেন, তাহা হইলে পুলিশ কমিশনার অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করিবেন, যদি না তিনি মনে করেন যে, কেবলমাত্র বিরক্ত ও বিলম্ব করার উদ্দেশ্যেই অনুরূপ দরখাস্ত করা হইয়াছে৷ (৩) অনুরূপ ব্যক্তি তাহার আইনজীবীর মাধ্যমে পুলিশ কমিশনার সমীপে হাজির হইয়া বক্তব্য পেশের ও তত্কর্তৃক উপস্থাপিত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ দেওয়ার অধিকার থাকিবে৷ (৪) অনুরূপ ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে, পুলিশ কমিশনার তদন্ত চলাকালে অনুরূপ ব্যক্তিকে তত্সমীপে উপস্থিত হইয়া মুচলেকা প্রদানে নির্দেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপ মুচলেকা জামানতসহ বা জামানত ছাড়া হইতে পারে৷ (৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন মুচলেকা প্রদানে অনুরূপ ব্যক্তি ব্যর্থ হইলে অথবা তদন্ত চলাকালে পুলিশ কমিশনার সমীপে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে, পুলিশ কমিশনার যথারীতি তদন্ত চালাইয়া তাহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত আদেশ জারী করিবেন৷
45.৪৫৷ আপীল
আপীল ৪৫৷ (১) ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন আদেশ জারীর ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে তিনি অনুরূপ আদেশ জারীর তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সরকারের নিকট আপীল করিতে পারিবেন৷ (২) এই ধারার অধীন আপীল একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে এবং উহার সহিত আপীল করার কারণ উল্লেখসহ সংশ্লিষ্ট আদেশের একটি সত্যায়িত কপি দাখিল করিতে হইবে৷ (৩) অনুরূপ আপীল আবেদন প্রাপ্তির পর সরকার সংশ্লিষ্ট আপীলকারীকে ব্যক্তিগতভাবে অথবা আইনজীবীর মারফত শুনানীর সুযোগ দিবেন এবং অধিকতর তদন্ত করা হইলে সেই তদন্তের পর যে আদেশটির বিরুদ্ধে আপীল করা হইয়াছে সে আদেশটি বহাল রাখিতে, সংশোধন করিতে বা বাতিল করিতে পারেন: তবে শর্ত থাকে যে, সরকার ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে, আপীলের নিষ্পত্তি সাপেক্ষে, যে আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হইয়াছে তাহা কার্যকর থাকিবে৷
46.৪৬৷ পুলিশ কমিশনার বা সরকারের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা যাইবে না
পুলিশ কমিশনার বা সরকারের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা যাইবে না ৪৬৷ ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীনে পুলিশ কমিশনার কর্তৃক অথবা ধারা ৪৫ এর অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷
47.৪৭৷ মহানগরী এলাকা ত্যাগ করিতে ব্যর্থতা এবং অপসারণের পর পুনঃপ্রবেশ সম্পর্কে অনুসরণীয় কর্মপন্থা
মহানগরী এলাকা ত্যাগ করিতে ব্যর্থতা এবং অপসারণের পর পুনঃপ্রবেশ সম্পর্কে অনুসরণীয় কর্মপন্থা ৪৭৷ (১) ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন যে ব্যক্তিকে মহানগরী এলাকা হইতে অপসারণের আদেশ দেওয়া হইয়াছে তিনি যদি- (ক) আদেশ মোতাবেক নিজেকে অপসারণ করিতে ব্যর্থ হন; অথবা (খ) অপসারণের পর, উপ-ধারা (২) এর অধীন পুলিশ কমিশনারের অনুমতি ছাড়াই আদেশে উল্লিখিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত এলাকায় প্রবেশ করেন; তাহা হইলে পুলিশ কমিশনার তাহাকে গ্রেফতার করিয়া উক্ত এলাকার বাহিরে নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন৷ (২) ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন আদেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে পুলিশ কমিশনার তত্কর্তৃক আরোপিত শর্ত সাপেক্ষে মহানগরী এলাকায় অস্থায়ীভাবে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারিবেন এবং তাহাকে জামানতসহ বা জামানত ছাড়া আরোপিত শর্ত পালন নিশ্চিত করার স্বার্থে মুচলেকা দিতে নির্দেশ দিতে পারেন৷ (৩) পুলিশ কমিশনার অনুরূপ যে কোন অনুমতি যে কোন সময় বাতিল করিতে পারিবেন৷ (৪) ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এর অধীনে মহানগরী এলাকায় প্রত্যাবর্তন করার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমতিতে উল্লিখিত মেয়াদ শেষে অথবা অনুরূপ অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে বাতিল করা হইলে অনুরূপ বাতিলের সংগে সংগে নিজেকে মহানগরী এলাকার বাহিরে অপসারণ করিবেন এবং নূতন অনুমতি ব্যতীত ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন অসম্পূর্ণ মেয়াদ পূর্তি না হইলে মহানগরী এলাকায় প্রবেশ বা ফিরিয়া আসিবেন না৷ (৫) অনুরূপ ব্যক্তি আরোপিত কোন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হইলে অথবা শর্তানুসারে নিজেকে অপসারণ না করিলে অথবা অপসারণের পরে বিনা অনুমতিতে পুনঃপ্রবেশ করিলে, পুলিশ কমিশনার তাহাকে গ্রেফতার করিয়া মহানগরীর এলাকার বাহিরে যে কোন নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করিতে পারিবেন৷
48.৪৮৷ সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের দণ্ড
সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের দণ্ড ৪৮৷ কোন ব্যক্তি ধারা ১০ এর অধীনে সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর যথেষ্ট কারণ ছাড়া উক্ত পদে কাজ করিতে অথবা তাহাকে প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ পালনে অসম্মত হইলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
49.৪৯৷ মিথ্যা বিবৃতি ইত্যাদির জন্য দণ্ড
মিথ্যা বিবৃতি ইত্যাদির জন্য দণ্ড ৪৯৷ কোন ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরী লাভের অথবা চাকুরী হইতে অব্যাহতি লাভের জন্য কোন মিথ্যা বিবৃতিদান বা মিথ্যা তথ্য পেশ করিলে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
50.৫০৷ পুলিশ কর্মকর্তার অসদাচরণের দণ্ড
পুলিশ কর্মকর্তার অসদাচরণের দণ্ড ৫০৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা কাপুরুষতার অপরাধে বা ইচ্ছাকৃত কোন আইন, বিধি, প্রবিধান বা আদেশ লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
51.৫১৷ ধারা ১৪ লংঘনের দণ্ড
ধারা ১৪ লংঘনের দণ্ড ৫১৷ কোন অধস্তন কর্মকর্তা ধারা ১৪ এর বিধান লংঘন করিয়া পদত্যাগ করিলে বা কর্তব্য পালন হইতে নিজেকে প্রত্যাহার করিলে, তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
52.৫২৷ নিয়োগপত্র, প্রভৃতি ফেরত্ দিতে গাফিলতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের দণ্ড
নিয়োগপত্র, প্রভৃতি ফেরত্ দিতে গাফিলতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের দণ্ড ৫২৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা বাহিনীর সহিত সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার অব্যবহিত পরে তাহার নিয়োগপত্র, অস্ত্র, পোশাক ও অন্যান্য দ্রব্য ফেরত দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি বা অস্বীকার করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
53.৫৩৷ পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক বেআইনী প্রবেশ ও তল্লাশীর দণ্ড
পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক বেআইনী প্রবেশ ও তল্লাশীর দণ্ড ৫৩৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা আইনানুগ কর্তৃত্ব অথবা যুুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কোন গৃহে, নৌযানে, বা স্থানে প্রবেশ করিলে বা তল্লাশী চালাইলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
54.৫৪৷ বিরক্তিকর তল্লাশী, আটক, ইত্যাদির জন্য দণ্ড
বিরক্তিকর তল্লাশী, আটক, ইত্যাদির জন্য দণ্ড ৫৪৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা বিরক্তিকরভাবে বা বিনা প্রয়োজনে কোন ব্যক্তিকে তল্লাশী, আটক বা গ্রেফতার করিলে অথবা কাহারও কোন সম্পত্তি আটক করিলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
55.৫৫৷ পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক ব্যক্তিগত হামলা, ভীতি প্রদর্শন, ইত্যাদির দণ্ড
পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক ব্যক্তিগত হামলা, ভীতি প্রদর্শন, ইত্যাদির দণ্ড ৫৫৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা কোন আটক ব্যক্তির উপর অপ্রয়োজনীয় হামলা চালাইলে বা কোন আসামীকে বেআইনীভাবে ভীতি প্রদর্শন করিলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
56.৫৬৷ নির্দিষ্ট মেয়াদের অতিরিক্ত হাজতে আটক রাখার দণ্ড
নির্দিষ্ট মেয়াদের অতিরিক্ত হাজতে আটক রাখার দণ্ড ৫৬৷ কোন পুলিশ কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে অযৌক্তিভাবে অতিরিক্ত সময় হাজতে আটক করিয়া রাখিলে, অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির section 167 এর অধীন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় হাজতে আটক করিয়া রাখিলে, তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
57.৫৭৷ অবৈধভাবে পুলিশ পোষাক ব্যবহারের দণ্ড
অবৈধভাবে পুলিশ পোষাক ব্যবহারের দণ্ড ৫৭৷ কোন ব্যক্তি, বাহিনীর সদস্য না হইয়া এবং পুলিশ কমিশনারের অনুমতি ব্যতিরেকে, বাহিনীর পোষাক পরিধান করিলে অথবা উহার সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ অন্য কোন পোষাক পরিধান করিলে, তিনি একমাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
58.৫৮৷ ধারা ২৬ এর অধীন নির্দেশ লংঘনের দণ্ড
ধারা ২৬ এর অধীন নির্দেশ লংঘনের দণ্ড ৫৮৷ কোন ব্যক্তি ধারা ২৬ এর অধীনে প্রণীত কোন প্রবিধান, অনুরূপ প্রবিধানের অধীন মঞ্জুরিকৃত লাইসেন্স বা অনুমতির কোন শর্ত লংঘন করিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
59.৫৯৷ ধারা ২৮ এর অধীনে নির্দেশ লংঘনের দণ্ড
ধারা ২৮ এর অধীনে নির্দেশ লংঘনের দণ্ড ৫৯৷ কোন ব্যক্তি ধারা ২৮ এর অধীনে প্রদত্ত কোন নির্দেশ লংঘন করিলে, তিনি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
60.৬০৷ ধারা ২৯ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা লংঘনের দণ্ড
ধারা ২৯ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা লংঘনের দণ্ড ৬০৷ কোন ব্যক্তি ধারা ২৯ এর অধীনে প্রদত্ত কোন নিষেধাজ্ঞা লংঘন করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
61.৬১৷ ধারা ৩০ এর অধীন আদেশ লংঘনের দণ্ড
ধারা ৩০ এর অধীন আদেশ লংঘনের দণ্ড ৬১৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৩০ এর অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ লংঘন করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
62.৬২৷ ধারা ৩১ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা লংঘনের দণ্ড
ধারা ৩১ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা লংঘনের দণ্ড ৬২৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৩১ এর অধীনে প্রদত্ত কোন নিষেধাজ্ঞা লংঘন করিলে, তিনি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
63.৬৩৷ ধারা ৩৩ এর অধীনে আদেশ লংঘনের দণ্ড
ধারা ৩৩ এর অধীনে আদেশ লংঘনের দণ্ড ৬৩৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৩৩ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ লংঘন করিলে, তিনি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
64.৬৪৷ ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীনে আদেশ লংঘনের দণ্ড
ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীনে আদেশ লংঘনের দণ্ড ৬৪৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ লংঘন করিলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
65.৬৫৷ বিনা অনুমতিতে প্রবেশের দণ্ড
বিনা অনুমতিতে প্রবেশের দণ্ড ৬৫৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অমান্য করিয়া মহানগরী এলাকায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশ বা প্রত্যাবর্তন করিলে, অথবা ধারা ৪৭(২) এর অধীনে অনুমতির ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় প্রবেশ করিবার পর অনুমতিতে উল্লিখিত সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও উক্ত এলাকা হইতে নিজেকে প্রত্যাহার করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি দুই বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
66.৬৬৷ পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হওয়ার দণ্ড
পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হওয়ার দণ্ড ৬৬৷ কোন ব্যক্তি যদি এই আইনের অধীন কর্তব্য পালনের প্রসংগে, বা প্রয়োজনে প্রদত্ত পুলিশ কর্মকর্তার কোন যুক্তিসংগত নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
67.৬৭৷ ভুল গাড়ী চালনা এবং ট্রাফিক প্রবিধান ভংগ করার দণ্ড
ভুল গাড়ী চালনা এবং ট্রাফিক প্রবিধান ভংগ করার দণ্ড ৬৭৷ কোন ব্যক্তি যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া রাস্তার বাম পার্শ্ব দিয়া গাড়ী চালাইতে ব্যর্থ হইলে এবং একইদিকে গমনকালে কোন গাড়ী অতিক্রমের সময় উহার ডান পার্শ্ব দিয়া যাইতে ব্যর্থ হইলে অথবা পুলিশ কমিশনার কর্তৃক প্রণীত ট্রাফিক প্রবিধান ভংগ করিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
68.৬৮৷ অননুমোদিত স্থানে গাড়ী রাখার দণ্ড
অননুমোদিত স্থানে গাড়ী রাখার দণ্ড ৬৮৷ কোন ব্যক্তি পুলিশ কমিশনার কর্তৃক নিষিদ্ধ স্থানে বা রাস্তায় গাড়ী রাখিলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
69.৬৯৷ ফুটপাতে বিঘ্ন সৃষ্টির দণ্ড
ফুটপাতে বিঘ্ন সৃষ্টির দণ্ড ৬৯৷ কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্যারাম্বুলেটর ছাড়া অন্য যে কোন গাড়ী ফুটপাতে রাখা বা চালানো হইলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
70.৭০৷ রাস্তায় বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বিঘ্ন সৃষ্টির দণ্ড
রাস্তায় বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বিঘ্ন সৃষ্টির দণ্ড ৭০৷ কোন ব্যক্তি- (ক) মালামাল বোঝাই করার বা নামানোর জন্য বা যাত্রী উঠানামার জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় কোন স্থানে যানবাহনকে দাঁড় করাইয়া রাখিলে, বা (খ) যানবাহনকে অননুমোদিত স্থানে রাখিয়া অন্যত্র চলিয়া গেলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
71.৭১৷ বিক্রয়ের প্রবিধান ভাংগার দণ্ড
বিক্রয়ের প্রবিধান ভাংগার দণ্ড ৭১৷ যে কোন ব্যক্তি পুলিশ কমিশনার কর্তৃক প্রণীত প্রবিধান ভংগ করিয়া রাস্তায় বা প্রকাশ্য স্থানে কোন কিছু বিক্রয় করার জন্য রাখিলে তিনি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
72.৭২৷ জন্তু ছাড়িয়া দিয়া রাখার দণ্ড
জন্তু ছাড়িয়া দিয়া রাখার দণ্ড ৭২৷ কোন ব্যক্তি যদি কোন রাস্তায় বা সর্বসাধারণের স্থানে- (ক) গাফিলতি করিয়া কোন জন্তু এমনভাবে রাখেন যাহাতে কোন পথচারী বা অন্য কোন প্রাণী ভীতসন্ত্রস্ত হয় বা জখম হয়, বা বিপদগ্রস্ত হয়; অথবা (খ) কোন হিংস্র কুকুর বা প্রাণী ছাড়িয়া দেন; অথবা (গ) কোন কুকুর বা অন্য কোন জন্তু কাহাকেও ভয় দেখাইবার বা আক্রমণ করার জন্য লেলাইয়া দেন, তিনি পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
73.৭৩৷ বিক্রি বা ভাড়ার উদ্দেশ্যে পশু বা যানবাহন রাস্তায় রাখার দণ্ড
বিক্রি বা ভাড়ার উদ্দেশ্যে পশু বা যানবাহন রাস্তায় রাখার দণ্ড ৭৩৷ কোন ব্যক্তি যদি পুলিশ কমিশনারের অনুমতি ছাড়া বিক্রয় বা ভাড়া খাটাইবার উদ্দেশ্যে রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য প্রকাশ্য স্থানে কোন গাড়ী বা জন্তু মোতায়েন রাখেন অথবা গাড়ী বা জন্তু ধোয়া-মোছা করেন বা করান, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
74.৭৪৷ রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গাড়ী তৈয়ার বা মেরামত করার দণ্ড
রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গাড়ী তৈয়ার বা মেরামত করার দণ্ড ৭৪৷ কোন ব্যক্তি রাস্তার উপরে বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গাড়ী নির্মাণ বা মেরামত করিলে বা গাড়ীর অংশ বিশেষ বা যন্ত্রাংশ মেরামত বা নির্মাণ করিলে এবং উহাতে যাত্রী বা যান চলাচল বিঘ্নিত হইলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি সংশ্লিষ্ট গাড়ী সরকারে বাজেয়াপ্ত করা যাইবে৷
75.৭৫৷ রাস্তা বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গৃহ নির্মাণ সরঞ্জাম ও অন্যান্য জিনিস রাখার দণ্ড
রাস্তা বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গৃহ নির্মাণ সরঞ্জাম ও অন্যান্য জিনিস রাখার দণ্ড ৭৫৷ কোন ব্যক্তি রাস্তা বা সাধারণের ব্যবহার্য কোন স্থানে গৃহ-নির্মাণের সরঞ্জাম বা অন্যান্য জিনিস রাখিয়া বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে, তিনি দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বা জিনিসপত্রগুলি সরকারে বাজেয়াপ্ত করা যাইবে৷
76.৭৬৷ পশু জবাই বা পশুর মৃতদেহ পরিষ্কার করার দণ্ড
পশু জবাই বা পশুর মৃতদেহ পরিষ্কার করার দণ্ড ৭৬৷ কোন ব্যক্তি পুলিশ কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোন স্থানে বা রাস্তায় বা প্রকাশ্য স্থানে বা উহার নিকটে অথবা সেখান হইতে দেখা যায় এমন স্থানে কোন পশু জবাই করিলে বা পশুর মৃতদেহ পরিষ্কার করিলে বা চামড়া ছাড়াইলে, তিনি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
77.৭৭৷ বেশ্যাবৃত্তির উদ্দেশ্যে আহ্বান জানাইবার দণ্ড
বেশ্যাবৃত্তির উদ্দেশ্যে আহ্বান জানাইবার দণ্ড ৭৭৷ কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে অথবা গৃহভ্যন্তরে বা গৃহের বাহিরে- (ক) বেশ্যাবৃত্তির উদ্দেশ্যে মুখের ভাষায় বা অংগভংগী করিয়া বা অশালীন ভাব-ভংগী দেখাইয়া কাহাকেও আহ্বান করিলে; অথবা (খ) বেশ্যাবৃত্তির উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে আহ্বান করিলে বা শ্লীলতাহানী করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
78.৭৮৷ প্রকাশ্যে অশালীন ব্যবহারের দণ্ড
প্রকাশ্যে অশালীন ব্যবহারের দণ্ড ৭৮৷ কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য প্রকাশ্য স্থানে অথবা রাস্তা বা অনুরূপ স্থান হইতে দেখা যায় এইরূপ জায়গায় বা কোন ষ্টেশনে বা লোক অবতরণ স্থানে অথবা অফিসে বা গৃহভ্যন্তরে বা ঘরের বাহিরে ইচ্ছাকৃতভাবে ও অশালীনভাবে নিজের দেহ প্রদর্শন করিলে অথবা অশালীন ভাষা ব্যবহার করিলে অথবা অশালীন বা মারমুখী আচরণ করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
79.৭৯৷ মহিলাদের উত্যক্ত করার দণ্ড
মহিলাদের উত্যক্ত করার দণ্ড ৭৯৷ কোন ব্যক্তি কোন রাস্তা বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে অথবা গৃহভ্যন্তরে বা ঘরের বাহিরে মহিলাকে দেখাইয়া বা দেখাইবার উদ্দেশ্যে নিজের অংগ-প্রত্যংগ প্রদর্শন করিলে অথবা রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য প্রকাশ্য স্থানে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মহিলার পথরোধ করিলে বা তাহার শরীরের কোন স্থান স্পর্শ করিলে অথবা অশালীন বাক্য বা শব্দ বা মন্তব্য করিয়া, অংগভংগী করিয়া তাহাকে উত্যক্ত করিলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
80.৮০৷ রাস্তায় যাত্রীদের বাধাদান বা উত্যক্ত করার দণ্ড
রাস্তায় যাত্রীদের বাধাদান বা উত্যক্ত করার দণ্ড ৮০৷ কোন ব্যক্তি কোন রাস্তায় বা প্রকাশ্য স্থানে কোন যাত্রীকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দিলে বা উত্যক্ত করিলে অথবা হিংসামূলক আচরণের দ্বারা বা চিত্কার করিয়া বা মারমুখী আচরণ করিয়া কোন জন্তুকে ভীতি প্রদর্শন করিলে অথবা অন্য কোনভাবে জননিরাপত্তা বা শাস্তি বিঘ্নিত করিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
81.৮১৷ শান্তিভংগের উস্কানীদানের উদ্দেশ্যে দুর্ব্যবহারের দণ্ড
শান্তিভংগের উস্কানীদানের উদ্দেশ্যে দুর্ব্যবহারের দণ্ড ৮১৷ কোন ব্যক্তি শান্তিভংগের উস্কানীদানের উদ্দেশ্যে কোন রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে ভীতিমূলক, গালি-গালাজ-পূর্ণ বা অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করিলে এবং তদ্বারা শান্তিভংগের কারণ সৃষ্টি করিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
82.৮২৷ গান-বাজনা বা প্রদর্শনী, ইত্যাদির দণ্ড
গান-বাজনা বা প্রদর্শনী, ইত্যাদির দণ্ড ৮২৷ পুলিশ কমিশনার কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধান ভংগ করিয়া রাস্তা বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে গান-বাজনা বা প্রদর্শনী, যাহাতে ভীড় জমাইয়া অথবা বৃহদাকার বিজ্ঞাপন, ছবি, কাঠামো বা প্রতীক ব্যবহার করিয়া যাত্রীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় অথবা আশেপাশের বাসিন্দারা বিরক্ত হয়, অনুষ্ঠান করেন, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
83.৮৩৷ রাস্তা বা উহার নিকটে প্রস্রাব বা পায়খানা করার দণ্ড
রাস্তা বা উহার নিকটে প্রস্রাব বা পায়খানা করার দণ্ড ৮৩৷ কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বা উহার নিকটে প্রস্রাব বা পায়খানা করিলে অথবা নিজ তত্ত্বাবধানে রক্ষিত সাত বত্সরের নিম্ন বয়স্ক কোন শিশুকে প্রস্রাব বা পায়খানা করিতে দিলে, অথবা পথচারীদের বিরক্তির উদ্রেক করিতে পারে এইরূপভাবে মল বা ময়লা নিক্ষেপ করিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
84.৮৪৷ ভিক্ষাবৃত্তি বা কুত্সিত অসুস্থতা প্রদর্শনের দণ্ড
ভিক্ষাবৃত্তি বা কুত্সিত অসুস্থতা প্রদর্শনের দণ্ড ৮৪৷ কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে ভিক্ষা করিলে অথবা জনসাধারণের মনে দয়ার উদ্রেক করিয়া ভিক্ষা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে দেহের কোন ঘা, জখম, অসুস্থতা বা বিকলাংগতা প্রদর্শন করিলে তিনি এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
85.৮৫৷ অননুমোদিত স্থানে গোসল বা ধোলাই করার দণ্ড
অননুমোদিত স্থানে গোসল বা ধোলাই করার দণ্ড ৮৫৷ পুলিশ কমিশনারের আদেশক্রমে নির্ধারিত না হওয়া সত্ত্বেও, কোন ব্যক্তি যদি সাধারণ কূপ, পুকুর, দীঘি, বা সংরক্ষিত জলাধারে বা উহার পার্শ্বে গোসল করেন বা কিছু ধোলাই করেন, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
86.৮৬৷ বিজ্ঞপ্তি অমান্য করিয়া ধুমপান করা বা থুথু ফেলার দণ্ড
বিজ্ঞপ্তি অমান্য করিয়া ধুমপান করা বা থুথু ফেলার দণ্ড ৮৬৷ কোন ব্যক্তি কোন সরকারী বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোন দালানে গিয়া উক্ত দালানে লটকানো নোটিশ অমান্য করিয়া ধুমপান করিলে বা থুথু ফেলিলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
87.৮৭৷ ইচ্ছাকৃতভাবে অনধিকার প্রবেশের দণ্ড
ইচ্ছাকৃতভাবে অনধিকার প্রবেশের দণ্ড ৮৭৷ কোন ব্যক্তি সন্তোষজনক কারণ ছাড়া কোন বসত বাড়িতে বা উহার প্রাংগণে বা উহার সংলগ্ন জমিতে বা মাঠে অথবা সরকারী জমি, স্মৃতি মিনার, নৌকা, জলযান বা যানবাহনে অনধিকার প্রবেশ করিলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
88.৮৮৷ অগ্নিকাণ্ডের মিথ্যা সংকেত প্রদান অথবা সংকেত যন্ত্রের ক্ষতির দণ্ড
অগ্নিকাণ্ডের মিথ্যা সংকেত প্রদান অথবা সংকেত যন্ত্রের ক্ষতির দণ্ড ৮৮৷ কোন ব্যক্তি সজ্ঞানে অগ্নিকাণ্ডের মিথ্যা সংকেত দিলে অথবা দেওয়াইলে অথবা মিথ্যা সংকেত প্রদানের জন্য রাস্তায় সংরক্ষিত অগ্নিকাণ্ডের সংকেত-যন্ত্রের কাচ ভাংগিলে অথবা অন্যভাবে উহার ক্ষতি করিলে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
89.৮৯৷ সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক চলাফেরার দণ্ড
সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক চলাফেরার দণ্ড ৮৯৷ কোন ব্যক্তিকে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে নিম্নবর্ণিত অবস্থায় পাওয়া গেলে, সেই ব্যক্তি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, যথা:- (ক) সন্তোষজনক কারণ ছাড়া, কোন মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত; অথবা (খ) সন্তোষজনক কারণ ছাড়া, মুখ ঢাকা অথবা ছদ্মবেশে; অথবা (গ) সন্তোষজনক কারণ ছাড়া, কোন বাসগৃহে বা অন্য কোন গৃহে; অথবা কোন নৌকায়, জলযানে বা যানবাহনে; অথবা (ঘ) সন্তোষজনক কারণ ছাড়া, কোন রাস্তায়, প্রাংগণে বা অন্য স্থানে শায়িত বা ঘুরাফেরা করিতে; অথবা (ঙ) সন্তোষজনক কারণ ছাড়া, ঘরের দরজা ভাংগার যন্ত্র কাছে রাখা অবস্থায়৷
90.৯০৷ কর্তৃত্ব ছাড়া অস্ত্র বহনের দণ্ড
কর্তৃত্ব ছাড়া অস্ত্র বহনের দণ্ড ৯০৷ পুলিশ অফিসার না হইয়া অথবা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা বাংলাদেশ রাইফেলস্ এর সদস্য না হইয়া অনুরূপ দায়িত্বে রত না থাকিয়া, কোন ব্যক্তি তলোয়ার, আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্রে কিংবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্যে কোন রাস্তায় বা জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সজ্জিত থাকিলে, পুলিশ কর্মকর্তা তাহাকে নিরস্ত্র করিয়া তাহার সংগে প্রাপ্ত অস্ত্র কাড়িয়া লইতে পারিবেন এবং তজ্জন্য পুলিশ কমিশনার তাহাকে অনধিক এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করিতে পারিবেন এবং উক্ত জরিমানার অর্থ এক মাসের মধ্যে পরিশোধ না করিলে উহা সরকারে বাজেয়াপ্ত হইবে৷
91.৯১৷ সন্তোষজনক কারণ প্রদর্শন ব্যতিরেকে সম্পত্তি দখলে রাখার দণ্ড
সন্তোষজনক কারণ প্রদর্শন ব্যতিরেকে সম্পত্তি দখলে রাখার দণ্ড ৯১৷ কোন ব্যক্তি চোরাই বলিয়া সন্দেহকৃত কোন সম্পত্তি বা জিনিস নিজ দখলে রাখিলে অথবা বিক্রয় করিলে বা বিক্রয়ের চেষ্টা করিলে এবং তজ্জন্য সন্তোষজনক কারণ প্রদর্শনে ব্যর্থ হইলে, তিনি এক বত্সর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
92.৯২৷ হাসপাতাল প্রভৃতি স্থানে মদ ইত্যাদি লইয়া প্রবেশ করার দণ্ড
হাসপাতাল প্রভৃতি স্থানে মদ ইত্যাদি লইয়া প্রবেশ করার দণ্ড ৯২৷ কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কোন হাসপাতালে বা কারাগারে মদ বা মাদক জাতীয় কোন দ্রব্য লইয়া প্রবেশ করিলে বা প্রবেশ করার চেষ্টা করিলে, অথবা যেখানে নিয়মানুবর্তী কোন বাহিনী অবস্থান করিতেছে এইরূপ কোন ব্যারাকে বা গৃহে অথবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মদ বা মাদক জাতীয় কোন দ্রব্য লইয়া গেলে বা লইয়া যাইবার চেষ্টা করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং অনুরূপ মদ, স্পিরিট বা মাদক জাতীয় দ্রব্য সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হইবে৷
93.৯৩৷ বন্ধকগ্রহীতা, প্রভৃতি কর্তৃক চোরাই সম্পত্তি সম্পর্কে পুলিশকে খবর না দেওয়ার দণ্ড
বন্ধকগ্রহীতা, প্রভৃতি কর্তৃক চোরাই সম্পত্তি সম্পর্কে পুলিশকে খবর না দেওয়ার দণ্ড ৯৩৷ কোন বন্ধকগ্রহীতা বা পুরাতন জিনিসের ব্যবসায়ী বা ধাতব কারখানার কর্মচারী কোন দ্রব্য চুরি হওয়ার ব্যপারে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক জ্ঞাত হওয়ার পর অনুরূপ দ্রব্য তাহার দখলে আসা সত্ত্বেও নিকটবর্তী থানায় তত্সম্পর্কে খবর না দিলে এবং যে ব্যক্তির নিকট হইতে উক্ত দ্রব্য লইয়াছে তাহার নাম-ধাম জানাইতে ব্যর্থ হইলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
94.৯৪৷ গলাইয়া ফেলা ইত্যাদির দণ্ড
গলাইয়া ফেলা ইত্যাদির দণ্ড ৯৪৷ কোন ব্যক্তি ধারা ৯৩ এ উল্লিখিত প্রকারে সংবাদ প্রাপ্তির পরে পুলিশের পূর্বানুমতি ছাড়া উক্ত ধারায় উল্লিখিত সম্পত্তি গলাইয়া ফেলিলে অথবা অন্য কোনভাবে রূপান্তরিত করিলে তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কারদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
95.৯৫৷ রাস্তায় জুয়া খেলার দণ্ড
রাস্তায় জুয়া খেলার দণ্ড ৯৫৷ কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে জমায়েত হইলে অথবা অনুরূপ জমায়েতে অংশ গ্রহণ করিলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
96.৯৬৷ সাধারণের প্রমোদ স্থানে উচ্ছৃংখল আচরণ করার সুযোগ দেওয়ার দণ্ড
সাধারণের প্রমোদ স্থানে উচ্ছৃংখল আচরণ করার সুযোগ দেওয়ার দণ্ড ৯৬৷ সাধারণের প্রমোদ স্থানের কর্তৃপক্ষ উক্ত স্থানে নিজের কাহাকেও মাতলামী করার বা অন্য কোনরূপ উচ্ছৃংখল বা অশ্লীল আচরণের সুযোগ দিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
97.৯৭৷ প্রবেশ টিকেট অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয়ের দণ্ড
প্রবেশ টিকেট অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয়ের দণ্ড ৯৭৷ কোন ব্যক্তি বিক্রিত কোন প্রমোদাগারের টিকেট যে মূল্যে ক্রয় করা হইয়াছে উহার অধিক মূল্যে বিক্রয় করিলে বা বিক্রয়ের চেষ্টা করিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
98.৯৮৷ রাস্তায় গবাদি পশু ছাড়িয়া দেওয়ার অথবা কাহারও সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করিতে দেওয়ার দণ্ড
রাস্তায় গবাদি পশু ছাড়িয়া দেওয়ার অথবা কাহারও সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করিতে দেওয়ার দণ্ড ৯৮৷ কোন ব্যক্তি নিজের অথবা স্বীয় দায়িত্বাধীন গবাদি পশু রাস্তায় চরাইলে বা চরাইতে দিলে অথবা কাহারো সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করিতে দিলে, তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
99.৯৯৷ দালান, প্রভৃতির সৌন্দর্য বিনষ্ট করিয়া বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি লাগাইবার দণ্ড
দালান, প্রভৃতির সৌন্দর্য বিনষ্ট করিয়া বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি লাগাইবার দণ্ড ৯৯৷ কোন ব্যক্তি মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, খুঁটি বা অন্য কোন কিছুতে বিজ্ঞাপন, কাগজ, প্রভৃতি লটকাইলে অথবা কালি বা রং দিয়া লিখিলে, তিনি দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
100.১০০৷ আগুন জ্বালান, বন্দুকের গুলি বর্ষণ বা আতশবাজী পোড়াইবার দণ্ড
আগুন জ্বালান, বন্দুকের গুলি বর্ষণ বা আতশবাজী পোড়াইবার দণ্ড ১০০৷ কোন ব্যক্তি পুলিশ কমিশনারের অনুমোদিত নির্ধারিত সময় ও স্থান ছাড়া কোন রাস্তায় বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বা উহার নিকটে কোন খড়কুটায় অগ্নিসংযোগ করিলে বা অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করিলে, কোন আগ্নেয়াস্ত্র বা এয়ারগানে গুলি ছুঁড়িলে অথবা আতশবাজী পোড়াইলে, তিনি একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
101.১০১৷ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা
অপরাধ সংঘটনে সহায়তা ১০১৷ কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি নিজেই উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন৷
102.১০২৷ প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির অপরাধ
প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির অপরাধ ১০২৷ এই আইনের অধীন কৃত অপরাধকারী কোন প্রতিষ্ঠান, কোম্পানী বা কর্পোরেশন হইলে, উহা সেই প্রতিষ্ঠানের জ্ঞাতসারে হয় নাই অথবা উহা নিবারণের জন্য সেই প্রতিষ্ঠান সাধ্যমত চেষ্টা করিয়াছিল বলিয়া প্রমাণ করিতে ব্যর্থ হইলে, অনুরূপ সংস্থার প্রত্যেক অংশীদার, ডাইরেক্টর, ম্যানেজার, সেক্রেটারী বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি অপরাধটির জন্য দোষী হইবেন৷
103.১০৩৷ অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ১০৩৷ (১) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত অপরাধ ছাড়া, এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় যে কোন অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিতভাবে রিপোর্ট পেশ না করা পর্যন্ত কোন আদালত অপরাধটি বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না৷ (২) ধারার ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪ বা ৫৫ এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা যে কোন ব্যক্তির অভিযোগক্রমে অথবা কোন পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত রিপোর্ট পাইয়া উহা বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবে৷
104.১০৪৷ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ১০৪৷ এই আইন বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধ কোন ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বা তাহার নজরে আসে এমনভাবে করিলে, পুলিশ কর্মকর্তা সেই ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করিতে পারিবেন৷ ব্যাখ্যা৷- এই ধারার কোন কিছুই অন্য কোন আইনের বলে পুলিশ কর্মকর্তার গ্রেফতারের ক্ষমতা সংকুচিত করিবে না৷
105.১০৫৷ কতিপয় মামলার নিষ্পত্তি
কতিপয় মামলার নিষ্পত্তি ১০৫৷ (১) ধারা ৫৮, ৫৯, ৬২, ৬৩, ৬৬, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৬, ৮০, ৮১, ৮২, ৮৩, ৮৫, ৮৬, ৮৯, ৯৫, ৯৬, ৯৭, ৯৯ বা ১০০ এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণকারী আদালত আসামীর নিকট প্রেরিতব্য সমনে ইহা উল্লেখ করিতে পারে যে, অভিযোগের শুনানী আরম্ভের পূর্বে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন নির্দিষ্টকৃত তারিখে রেজিষ্ট্রী চিঠি পাঠাইয়া নিজেকে দোষী ঘোষণা করিতে এবং অনুরূপ অপরাধের জন্য নির্ধারিত অর্থদণ্ডের অনধিক এক চতুর্থাংশ টাকা আদালতে পাঠাইতে পারেন৷ (২) অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে দোষী ঘোষণা করিয়া নির্দ্দিষ্ট টাকা পাঠাইলে সংশ্লিষ্ট অপরাধ সম্পর্কে তাহার বিরুদ্ধে আর কোন ব্যবস্থা গৃহীত হইবে না৷
106.১০৬৷ কতিপয় ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা
কতিপয় ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা ১০৬৷ (১) পুলিশ কমিশনার কর্তৃক সাধারণ বিজ্ঞপ্তি মারফত নির্ধারিত পদের পুলিশ কর্মকর্তা যদি দেখেন যে, ধারা ৬৭, ৬৮, ৬৯ বা ৭০ এর অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ কোন ব্যক্তি করিয়াছেন, তাহা হইলে তিনি ঐ ব্যক্তির নামে অথবা তাহাকে পাওয়া না গেলে তাহার বাড়ীর গায়ে বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমে নিম্নবর্ণিত বিষয় উল্লেখ করিয়া নোটিশ প্রেরণ করিবেন বা, ক্ষেত্রমত, লটকাইয়া দিবেন, যথা:- (ক) অনুরূপ ব্যক্তি যে অপরাধ করিয়াছেন; (খ) যে অর্থদণ্ড তাহাকে প্রদান করিতে হইবে; (গ) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট উপস্থিত হইয়া উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধের তারিখ৷ (২) অপরাধী ব্যক্তি নির্দিষ্ট তারিখে ম্যাজিষ্ট্রেট সমীপে উপস্থিত হইয়া অর্থদণ্ডের টাকা পরিশোধ করিলে এই সম্পর্কে তাহার বিরুদ্ধে আর কোন ব্যবস্থা গৃহীত হইবে না৷ (৩) উক্ত ব্যক্তি যদি নির্ধারিত তারিখে ম্যাজিষ্ট্রেট সমীপে উপস্থিত হইয়া অর্থদণ্ডের টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন এবং এই ব্যর্থতা সম্পর্কে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট তিনি সন্তোষজনক কৈফিয়ত দিতে না পারেন, তাহা হইলে ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ড যেভাবে আদায় করা হয় সেইভাবে উক্ত ব্যক্তির নিকট হইতে উপরোক্ত অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করা হইবে৷ (৪) উক্ত ব্যক্তি যদি নির্দিষ্ট তারিখে ম্যাজিষ্ট্রেট সমীপে উপস্থিত হইয়া নোটিশে উল্লেখিত অপরাধ করেন নাই বলিয়া দাবী করেন, তাহা হইলে ম্যাজিষ্ট্রেট সংশ্লিষ্ট নোটিশকে ঐ অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার রিপোর্ট বলিয়া গণ্য করিয়া এই আইনের অন্যান্য বিধান অনুসারে মামলার বিচার চালাইয়া যাইবেন এবং অপরাধ না করার প্রমাণের দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাইবে৷ (৫) এই আইন ও আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহাই থাকুক না কেন, এই ধারার বিধান কার্যকর থাকিবে৷
107.১০৭৷ অন্যান্য আইনের অধীনে ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যাহত হইবে না
অন্যান্য আইনের অধীনে ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যাহত হইবে না ১০৭৷ এই আইনের কোন কিছুই উহার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যাহত করিবে না: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ যাবতীয় মামলা ফৌজদারী কার্যবিধির Scetion 403 এর বিধান সাপেক্ষে হইবে৷
108.১০৮৷ ফরম বা পদ্ধতির ত্রুটির জন্য প্রবিধান আদেশ, ইত্যাদি বেআইনী হইবে না
ফরম বা পদ্ধতির ত্রুটির জন্য প্রবিধান আদেশ, ইত্যাদি বেআইনী হইবে না ১০৮৷ এই আইনের অধীন প্রণীত কোন প্রবিধান, প্রজ্ঞাপিত কোন আদেশ, নির্দেশ, তদন্ত বা নোটিশ এবং উহার অধীনকৃত কোন কাজকর্ম কোন ফরম বা পদ্ধতির ত্রুটির জন্য অবৈধ হইবে না৷
109.১০৯৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম
সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম ১০৯৷ এই আইনের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের দরুন কোন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না ৷
110.১১০৷ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সময়সীমা
পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সময়সীমা ১১০৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন, বিধি, প্রবিধান বা তদধীন প্রদত্ত কোন আদেশ এর অধীন কোন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা দায়ের করিতে হইলে, উহা সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, এবং অনুরূপ দায়েরের কমপক্ষে এক মাস পূর্বে উক্ত মামলার কারণ লিপিবব্ধ করিয়া একটি নোটিশ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং তাহার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট পাঠাইতে হইবে৷
111.১১১৷ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ১১১৷ (১) এই আইনের অধীন জারীতব্য সকল গণবিজ্ঞপ্তি লিখিত এবং পুলিশ কমিশনার কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে৷ (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত গণবিজ্ঞপ্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারে এইরূপ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজ্ঞপ্তিটির অনুলিপি লটকাইয়া বা সাঁটিয়া দিয়া বা ঢোল পিটাইয়া বিজ্ঞপ্তিটির বিষয় ঘোষণা করিয়া বা পুলিশ কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত কোন স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করিয়া জনগণকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবহিত করিতে হইবে৷
112.১১২৷ স্বাক্ষর সীল-মোহরাঙ্কিত করা
স্বাক্ষর সীল-মোহরাঙ্কিত করা ১১২৷ এই আইন, বিধি বা প্রবিধান এর অধীন প্রদেয় সমন বা পরোয়ানা ব্যতীত লাইসেন্স, লিখিত অনুমতি, নোটিশ বা অন্য কোন দলিলে পুলিশ কমিশনারের স্বাক্ষর সীল-মোহরাঙ্কিত করা হইলে উহা তদ্কর্তৃক স্বাক্ষরিত বলিয়া গণ্য হইবে৷
113.১১৩৷ মহানগরী এলাকা কর্তন বা বর্ধিতকরণের সরকারের ক্ষমতা
মহানগরী এলাকা কর্তন বা বর্ধিতকরণের সরকারের ক্ষমতা ১১৩৷ সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা মহানগরী এলাকার সন্নিহিত কোন এলাকাকে মহানগরী এলাকার সাথে সংযুক্ত করিতে এবং মহানগরী এলাকার কোন এলাকাকে মহানগরী এলাকা হইতে বাদ দিতে পারিবেন৷
114.১১৪৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ১১৪৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন৷
115.১১৫৷ কতিপয় আইনের সংশোধনী
কতিপয় আইনের সংশোধনী ১১৫৷ তৃতীয় তফসিলের কলাম ২-এ উল্লিখিত আইনগুলি একই তফসিলের কলাম ৩-এ উল্লিখিতভাবে সংশোধন করা হইল৷
